নিউজ একুশে ডেস্ক: ময়মনসিংহে চাঞ্চল্যকর অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মমতাজ উদ্দিন হত্যামামলার প্রধান আসামি রেজাউল করিমকে ঘটনার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যা ব।
র্যা ব-১৪ সিপিএসসি, টিটিসি এর একটি দল নেত্রকোণা জেলা সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার রেজাউল করিম নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার খামারহাটি গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে। বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানার আকুয়া চুকাইতলা এলাকায় বসবাস করছেন। তিনিও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য।
র্যা ব সূত্র জানায়, নিহত সেনাসদস্য মমতাজ উদ্দিন (৫৮) ও রেজাউল করিম (৬২) পরস্পর প্রতিবেশি। বসতবাড়িতে বৃষ্টির পানি যাওয়ার জন্য পাইপলাইন
বসানোকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ২৫ মার্চ সকাল ৯টার দিকে মমতাজ উদ্দিনের সঙ্গে রেজাউল করিম, তার স্ত্রী শরিফা আক্তার, ছেলে শেখ মাহমুদুল হাসান হৃদয় ও শেখ মাকসুদুল হাসান সাগরের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে তারা মমতাজ উদ্দিনকে বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম দিয়ে এলোপাতারিভাবে আঘাত করতে থাকলে মমতাজ উদ্দিন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলার পর তারা পালিয়ে যান।
ঘটনার পর ভিকটিমের স্ত্রী স্থানীয় লোকদের সহায়তায় মমতাজ উদ্দিনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে ভিকটিমের স্ত্রী পারভীন আক্তার বাদী হয়ে রেজাউল করিম, তার দুই ছেলে ও স্ত্রীকে আসামি করে কোতোয়ালী থানায় একটি হত্যামামলা দায়ের করেন।
র্যা বের কোম্পানী অধিনায়ক আখের মুহম্মদ জয় জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে র্যা ব-১৪ সিপিএসসি, টিটিসি এর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন, ছায়া তদন্ত, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে জোর তৎপরতা চালায়। ঘটনার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যা ব।
গ্রেফতার আসামিকে কোতোয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।