crossorigin="anonymous">
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩১ জুলাই ২০২৫
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস ঐতিহ্য
  5. করোনা আপডেট
  6. ক্যাম্পাস
  7. ক্রীড়া জগৎ
  8. জাতীয়
  9. তথ্য প্রযুক্তি
  10. ধর্ম
  11. নারী অধিকার
  12. প্রবাস সংবাদ
  13. বিনোদন
  14. রাজনীতি
  15. সম্পাদকীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঐতিহাসিক কুতুব মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা লুট

প্রতিবেদক
-
জুলাই ৩১, ২০২৫ ৫:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা: কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার ঐতিহাসিক কুতুব মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাতের কোনো এক সময় ঘটনাটি ঘটেছে।

এ বিষয়ে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে অষ্টগ্রাম থানায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মসজিদের সামনে ইটের তৈরি পাকা দানবাক্সটি রয়েছে। বুধবার রাতে দানবাক্সের উপরের অংশটি ভেঙে টাকা লুট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়।

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দানবাক্সটি খোলার কথা ছিল বলে জানা গেছে।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. দিলশাদ জাহান জানান, প্রায় তিনমাস আগে দানবাক্সটি খোলা হয়েছিল। সে সময় ৪০ হাজার টাকার মতো পাওয়া গিয়েছিল। দানবাক্স ভেঙে টাকা লুটের ঘটনায় থানাকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমীন মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, দানবাক্সটি মসজিদ থেকে অনেকটা দূরে। তাছাড়া এখানে কোনো পাহাড়াদারও নেই। ছিচকে চোরদের দ্বারা ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হোসেন বাবু ঐতিহাসিক কুতুব মসজিদের দানবাক্স ভেঙে চুরির ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় মাদকাসক্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। এদের দ্বারা ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। তিনি আরো জানান, গত মহরমে প্রচুর মুসল্লি ও দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছিল এখানে। ফলে অন্য সময়ের তুলনায় এবার দানের পরিমাণ বেশি হওয়ার কথা। যথাসময়ে দানবাক্স খোলা হলে লক্ষাধিক টাকা পাওয়া যেত। এ বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মসজিদটি ১৭শ শতকের প্রথম দিকে নির্মিত বলে জানা গেছে। মসজিদটিতে সুলতানী ও মোগল আমলের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। বিখ্যাত দরবেশ কুতুব শাহর নামানুসারে মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে। মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

আপনার মন্তব্য করুন