ঢাকাশুক্রবার , ২০ মে ২০২২
  1. – 99
  2. 1Win Brasil
  3. 1win Yüklə Android Apk Və Ios App 2023 əvəzsiz Indir Plant-based Products – 688
  4. 1xBet Azerbaycan Qeydiyyat Mobi AZ Yukle Elaqe Nomresi Benchmark Commercial Lending 157 – 233
  5. 1xBet giriş, güzgü 1 xBet Azərbaycanda rəsmi sayt – 673
  6. 1xbet Mobi Cihazlarınız Üzrə Mobil Tətbiqi Android Os Cihazlar üçün 1xbet Mobile Tətbiq – 186
  7. 1xbet Morocco
  8. casino
  9. Kazino Online Casino Official Site, Big Bonuses, Site Mirror, Casino Entrance, Payment Acceptance, Big Jackpot – 626
  10. mostbet apk
  11. mostbet az 90
  12. Mostbet Az-90 Kazino Azerbaycan Lap Yaxşı Bukmeyker Formal Saytı – 331
  13. mostbet azerbaijan
  14. mostbet kirish
  15. Mostbet Mobil Tətbiq: Azərbaycandan Olan Oyunçular üçün Icmal 2023 – 598
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ : আ’লীগের পকেট কমিটি করতেই গোপনে অবৈধ কাউন্সিলর করা হচ্ছে

প্রতিবেদক
-
মে ২০, ২০২২ ৫:২৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রভাবশালী এক নেতার পকেট কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে গোপনে অবৈধ কাউন্সিলর করা হচ্ছে।

আজ শুক্রবার দুপুরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের নেতাকর্মীরা এমন অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২৫ বছর আগে ১৯৯৭ সালে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শুধুমাত্র সভাপতি হিসেবে এডভোকেট আতাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অধ্যাপক শরীফ সাদীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হলেও তৎকালীন জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে অনুমোদনহীন কমিটি পরিচালিত হয়ে আসছে। পরে ২০০৩ ও ২০১৪ সনে সদরের ১১টি ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হলেও সেসব কমিটিরও অনুমোদন দেননি আতাউর রহমান ও শরীফ সাদীর নেতৃত্বাধীন কমিটি। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৯৭ সালে গঠিত সদর উপজেলা কমিটি এবং ২০১৪ সনের করা ইউনিয়ন কমিটিগুলো গঠনতন্ত্র পরিপন্থী এবং  মেয়াদোত্তীর্ণ। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো যে কাউন্সিলর তালিকা করছে সেই তালিকা বৈধ হতে পারে না। এমন  পরিস্থিতিতে ২৫ মে সম্মেলনে কাউন্সিল অধিবেশন করা গঠনতান্ত্রিক বিধানে সম্ভব নয় বলে তারা মন্তব্য করেন।

জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটুর প্রতি ইঙ্গিত করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২৫ মে সম্মেলনকে সামনে রেখে বর্তমান উপজেলা কমিটির সভাপতি কথিত’ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জেলা কমিটির এই নেতার বশংবদ হিসেবে ১১ ইউনিয়নে একটি অবৈধ কাউন্সিলর তালিকা প্রনয়ণ করেছেন। তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্মেলনকে সামনে রেখে উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন বর্ধিত সভা করা হয়নি। কাউন্সিলর তালিকা ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের কাছেও দেওয়া হয়নি।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খান যাকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মাফিকআওয়ামী লীগের চেয়ারম্যানহিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া আছে, তাকেও কাউন্সিলর রাখা হয়নি। মারিয়া, লতিবাবাদ, বৌলাই, দানাপাটুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকরা জানেন না তাদের ইউনিয়নের কী তালিকা করা হয়েছে এবং তালিকায় তাদের নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সৈয়দ টিটুর খেয়ালখুশি মত তালিকা প্রস্তুত করে সেটাও গোপনে রাখা হয়েছে বলে জানান তারা।

ফলে সম্মেলন কাউন্সিলকে ঘিরে যে উৎসাহ উদ্দীপনা থাকার কথা তার ছিটেফোটাও নেই, বরং আছে হতাশা ক্ষোভ। এমতাবস্থায় কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে তিনটি দাবি তুলে ধরেন তারা। 

এরমধ্যে ২৫ বছরের পুরনো সদর উপজেলা কমিটি বাতিল করে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্বে প্রত্যেক ইউনিয়ন থেকে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির / জন সদস্য এনে মোট ৫১ সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক  আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা। এই আহ্বায়ক কমিটি আগামী / মাসের মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে প্রত্যেক ইউনিয়নে কাউন্সিলের মাধ্যমে ইউনিয়ন কমিটি গঠন করবে। ইউনিয়ন কমিটির সভা করে সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে উপজেলার কাউন্সিলর তালিকা প্রনয়ণ করবে এবং  উপজেলা কমিটি বর্ধিত সভা ডেকে এই তালিকা যাচাই বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে। জেলা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে একটি বর্ণাঢ্য জাঁকজমকপূর্ণ সম্মেলন কাউন্সিল অধিবেশনের তারিখ নির্ধারণ করবেন

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র রীতি প্রথা মাফিক দাবিগুলো অনুসরন করে সম্মেলন কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হলে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগে যোগ্য জনপ্রিয় নেতা নির্বাচিত হবে এবং শেখ হাসিনার ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ছিদ্দিক হোসাইন স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রশিদাবাদ ইউনিয়ন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ জুবায়ের। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খান। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গিয়াস উদ্দিন মো. মফিজের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা কমিটির সদস্য ইব্রাহীম খলিল, দানাপাটুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম মাসুদ, লতিবাবাদ ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম তাজুল ইসলাম, মারিয়া ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু কাউন্সিলর করার দায়িত্ব তার নয় উল্লেখ করে বলেন, সেটা দেখবেন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। সম্মেলনকে বিতর্কিত করতেই একটি চক্র অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এম. এ আফজল বলেন, বিগত নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী এবং তাদের পক্ষে যারা কাজ করেছেন, তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা কাউন্সিলর হতে পারবেননা। বৈধদেরকেই কাউন্সিলর করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

আপনার মন্তব্য করুন

error: কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ!!